পবিত্র কুরআন

কুরআন খতম কীভাবে করবেন?
তাৎপর্য ও খতমের দোয়া

৫ মিনিট পাঠ

কুরআন খতম বলতে পবিত্র কুরআনের শুরু (সূরা ফাতিহা) থেকে শেষ (সূরা নাস) পর্যন্ত সম্পূর্ণ পাঠ করাকে বোঝায়। এটি একজন মুসলিমের জন্য বিশাল আধ্যাত্মিক অর্জন এবং আল্লাহর কালামের সাথে সম্পর্ক দৃঢ় করার এক অনন্য সুযোগ।

খতম করার গুরুত্ব ও ফজিলত

কুরআনের প্রতিটি অক্ষর পাঠের জন্য দশটি নেকি বা সওয়াব নির্ধারণ করা হয়েছে। যখন আপনি খতম করার সিদ্ধান্ত নেন, তখন নিচের আদবগুলো মেনে চলা জরুরি:

💡 হাদিস শরিফ: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: “তোমরা কুরআন পাঠ করো, কারণ কিয়ামতের দিন এটি তার পাঠকদের জন্য সুপারিশকারী হিসেবে আসবে।” (সহীহ মুসলিম)

খতমের দোয়া কীভাবে করবেন?

কুরআন পাঠ শেষ করার মুহূর্তটি এমন একটি সময় যখন আল্লাহর রহমতের দরজাগুলো উন্মুক্ত থাকে। শেষ সূরা পাঠ করার পর বিশেষ দোয়া করা সুন্নাত ও বরকতময়। আল্লাহর প্রশংসা ও রাসূলের ওপর দরুদ পাঠ করে আপনার এবং আপনার পরিবার ও মৃত আত্মীয়দের জন্য বিশেষ মোনাজাত করুন।

একটি সহজ ও বরকতময় খতমের দোয়া

“হে আল্লাহ, কুরআনের উসিলায় আমার ওপর রহমত বর্ষণ করুন এবং একে আমার জন্য পথপ্রদর্শক, নূর ও রহমত বানিয়ে দিন। হে আল্লাহ, কুরআনের যে অংশ আমি ভুলে গেছি তা আমাকে মনে করিয়ে দিন এবং যা আমি জানি না তা আমাকে শিখিয়ে দিন। দিনে ও রাতে এর তিলাওয়াত করার তৌফিক দান করুন। হে রাব্বুল আলামিন, একে আমার সপক্ষে দলিল হিসেবে কবুল করুন। আমীন।”

গ্লোবাল খতম রিং: সম্মিলিত ইবাদতের শক্তি

ব্যস্ত জীবনে একা পুরো কুরআন খতম করা অনেক সময় দীর্ঘ সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু ইসলাম হলো ঐক্যের ধর্ম। অতীতে মসজিদে বা মাদরাসায় পারা ভাগ করে নিয়ে খতম করা হতো। আজ প্রযুক্তি আমাদের এই সুযোগ করে দিয়েছে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের মানুষের সাথে মিলে খতম সম্পন্ন করার।

একটি আধ্যাত্মিক চক্রের অংশ হোন

একা খতম করা কি কঠিন মনে হচ্ছে? আজই ডাউনলোড করুন নূর ভাকতি (Nur Vakti) অ্যাপ এবং আমাদের গ্লোবাল খতম রিং-এ যোগ দিন। বিশ্বের অন্য প্রান্তের মুমিনদের সাথে পারা বা জুজ ভাগ করে নিন এবং সম্মিলিত বরকতের অংশীদার হোন।